পৃথিবী সৃষ্টির শুরু থেকে যুগে যুগে এমন কিছু মানুষ পৃথিবীতে আসেন যারা নিজের সর্বস্ব দিয়ে এ সমাজ, দেশ ও জাতিকে শুধু দিয়েই যান কিছু প্রত্যাশা না করে। সূফি সাধক গুরুজী ড. জীবন চৌধুরী এমনই একজন মানুষ যিনি তার বিলাসী জীবনের হাতছানি উপেক্ষা করে আর্ত মানবতার সেবায় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। দিনাজপুরের এক ধর্নাঢ্য, সম্ভ্রান্ত পরিবারে গুরুজী জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এলাকার ধর্নাঢ্য ব্যক্তি ছিলেন। বলাচলে সোনার চামচ মুখে নিয়েই তিনি পৃথিবীতে আসেন। ছোটবেলা থেকেই এই বিলাসী জীবন আভিজাত্য তার ভালো লাগেনি। আশেপাশের হত-দরিদ্র, ক্ষুধার্থ, অসুস্থ্য মানুষদের দেখে সেই বাল্যকাল থেকেই গুররুজীর হৃদয়ে ক্ষরণ হতো। ছাত্র অবস্থায়ই তিনি তার সাধ্যের সবটুকু দিয়ে অসহায়, ক্ষুধার্থ মানুষগুলোর পাশে থাকবার চেষ্টা করেছেন। সময়ের পরিক্রমায় সূফি সাধক গুরুজী ড. জীবন চৌধুরী আজ জীবন গ্রুপের চেয়ারম্যান। বলার অপেক্ষা রাখে না তিনি তার কোম্পানীর প্রতিটি কর্মীকে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন। সারাজীবন তিনি যা উপার্জন করেছেন, পৈত্রিক সূত্রে যা পেয়েছেন তার অধিকাংশই কল্যাণে ব্যয় করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় তিনি দিনাজপুরের উপজেলা বিরল কাঞ্চনঘাটে প্রতিষ্ঠা করেছেন আধ্যাত্মিক চিকিৎসা কেন্দ্র। একজন সাধারণ মানুষের জীবনে শারীরিক ও মানসিক সমস্যার পাশাপাশি থাকে আরও অনেক রকম সমস্যা যেমনঃ দাম্পত্য কলহ, প্রেমে ব্যর্থতা, বিবাহে বাধা, সন্তান অবাধ্য, বিদেশযাত্রা ও লেখাপড়ায় বাধা, মনের মানুষটিকে আয়ত্তে আনা, যাদু টোনা, বান, জ্বীনে ধরা ও আগলা দোষ, ব্যবসা ও চাকুরীতে উন্নতি, উপার্জনে বাধা, শানি রাহুর প্রভাব, গ্রহ দোষ, আত্মহত্যার প্রবণতা, উগ্র মেজাজ, স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া, মৃত্যু ভয়, যৌনভীতি, বিবাহভীতি, মাদকাসক্তি, সন্দেহ বাতিক ইত্যাদি সমস্যার অব্যর্থ তদবীর দেয়া হয়। যুগ শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ, সাধক, সুফি দানবীর, জীবন মহল পার্কের প্রতিষ্ঠাতা ড. জীবন চৌধুরী প্রতি ইংরেজী মাসের শেষ সপ্তাহের ২৭ থেকে পরের মাসের ২ তারিখ পর্যন্ত তার ভক্ত আশেকানদের দোয়া ও দর্শন দেবার জন্য জীবনিয়া দরবার শরীফে অবস্থান করেন এবং ৪ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত ঢাকায় জীবন গ্রুপের কর্পোরেট অফিসে কনকর্ড গ্রান্ড ১৬৯/১ শান্তিনগর, ঢাকা এই ঠিকানায় অবস্থান করেন। তার দীর্ঘদিনের আধ্যাত্মিক সাধনার ফসল হচ্ছে এই আধ্যাত্মিক চিকিৎসা কেন্দ্র। এখানে এসে আপন আত্মশুদ্ধির সুযোগ যেমন পাবেন, তেমনি পাবেন মান-সম্পন্ন চিকিৎসা।
জাগতিক মোহমুক্তি এবং পলৌকিকতার জন্য আত্মশুদ্ধির উত্তম স্থান হচ্ছে জীবনিয়া দরবার শরীফ। এ দরবার পরীক্ষিত । দীর্ঘদিন যাবৎ সমস্যা পিড়ীত মানুষেরআস্থা আর ভালোবাসা নিয়ে এই দরবার মানব সেবা দিয়ে যাচ্ছে। হাজারো সমস্যায় উৎপীড়িত আপনার অশান্ত মন শান্ত হয়ে যাবেই। একবার এসে পরীক্ষা করে যান। এ দরবার নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত সূফী সাধক গুরুজী ড. জীবন চৌধুরী তার নিজস্ব অর্থায়নে এর ব্যয়ভার বহন করছেন – সুতরাং আপনি আসুন আপনার আত্মশুদ্ধির জন্য, আপনার যাবতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য। আপনি যে কোন সমস্যা নিয়ে এ দরবারে আসুন না কেন, সুস্থ মন আর সুস্থ শরীর নিয়ে আপনি ফিরে যাবেন ইনশা আল্লাহ্।
বিজ্ঞানের এই চরম উৎকর্ষতায় এসে যারা আধ্যাত্মিকতায় বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন, তারা শুধু একবার আসুন এই দরবারে। দরবারে প্রবেশের সাথে সাথেই এক আলৌকিক প্রশান্তিতে ভরে উঠবে আপনার মন। সূফী সাধক গুরুজী ড. জীবন চৌধুরীর নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত এই দরবার দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশী সময় নিঃস্বার্থভাবে মানব সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এটি পরীক্ষিত দরবার; আসুন, পরীক্ষা করুন।
সূফী সাধক গুরুজী ড. জীবন চৌধুরী আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত একজন মানুষ। যৌবন শুরুর দিনগুলোতে তিনি আধ্যাত্মিকতার কঠিন সাধনায় মত্ত ছিলেন। কুর’আন এবং হাদীসের নির্মোহ ব্যাখ্যা উদ্ধারে তিনি ছুটে চলেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দ্বারপ্রান্তে। তার দীর্ঘ সাধনার প্রতিষ্ঠান হচ্ছে আজকের এই জীবনিয়া দরবার শরীফ। জীবনিয়া দরবারে আসলে আপনার অন্তর-আত্মা খুলে যাবে – আপনি পাবেন নতুন এক পথের সন্ধান। যা আপনার মনে ইহলৌকিক ও পরলৌকিক এক নতুন চিন্তার সৃষ্টি করবে। গুরুজী ড. জীবন চৌধুরী তার জীবনের প্রায় সমস্ত উপার্জনই ব্যয় করেছেন মানব সেবায়। জীবনিয়া দরবার শরীফ তারই একটি অংশ। গুরুজী ড. জীবন জীবন চৌধুরীর নিজস্ব অর্থায়নে এ দরবার পরিচালিত হয়। সুতরাং এ দরবারে এসে আপনার হারানোর কিছু নেই। প্রাপ্তি আর প্রশান্তি নিয়ে আপনি ফিরে যাবেন ইনশা আল্লাহ্।
সূফী সাধক গুরুজী ড. জীবন চৌধুরী আধ্যাত্মিকতার চর্চা শুরু করেন সেই বাল্যকাল থেকেই। ধর্নাঢ্য পরিবারের আলালের দুলালের মত তিনি তার শিশুকাল পার করেননি। চারদিকের অভাব-অনটন, রোগ-শোক তার সেই শিশু মনকে বিচলিত করে দিত। সেই থেকেই তিনি সৃষ্টির রহস্য খুঁজতে থাকেন। অন্যান্য কিশোররা যখন খেলাধুলায় মত্ত থাকত, গুরুজী তখন ধ্যানে মত্ত থাকতেন আর মোরাকাবায় বসে সৃষ্টির স্রষ্টাকে খুঁজতেন। যুবক বয়সে তিনি ছুটে চলেন দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে; চৌধুরী পরিবারের আদরের ছেলেটির অসংখ্য দিন কাটে অনাহারে। ধর্মীয় স্থানের ধর্মীয় গুরুদের সাথে তিনি সৃষ্টির রহস্য খুঁজতে থাকেন। দেশ-বিদেশের অসংখ্য সাধু-সন্যাসীর সান্নিধ্যে এসে তার অন্তর আত্মা খুলে যায়। জগতের কোন মোহই তাকে আর আকৃষ্ট করে না। কঠিন এক সাধনায় তিনি মগ্ন থাকেন বছেরের পর বছর। মানুষের মাঝেই তিনি সৃষ্টির রহস্যের সন্ধান পান, মানব সেবাই হয়ে ওঠে তার ধর্ম। মানব সেবার জন্যই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন জীবনিয়া দরবার শরীফ। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত ও প্রতিষ্ঠিত এ দরবারে না আসলে আপনি বুঝতে পারবেন না এর অলৌকিক ক্ষমতা। আপনার অশান্ত মন নিমিষেই শান্ত হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ্।
আপনি কি ইলমে তাশাউফ দিক্ষা গ্রহণ করতে চান? হাক্কানী সুফি সাধকের দরবারে এসে গুরুজীর দিক নির্দেশনা নিতে চান? আপনার কলপকে জাগ্রত করতে চান? শয়তানের ওয়াস ওয়াসা থেকে মুক্ত হতে চান? তাহলে গুরুজীর জীবনিয়া দরবার শরিফের মোরাকাবা সেন্টারে আসুন।
গুরুজীর ছোঁয়ায় বদলে যাবে আপনার জীবন। ইহকাল ও পরকালের অর্জনের জন্য আপনি নির্দ্বিধায় চলে আসুন জীবনিয়া দরবার শরীফে।
দিনাজপুরের বিরলে অবস্থিত এই দরবার সকল ধর্মের মানুষের জন্য উন্মুক্ত। দুই যুগেরও বেশী সময় সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত এই দরবারে আসলে আপনি নিজেই অনুভব করবেন এর অলৌকিকতা।
গুরুজী ড. জীবন চৌধুরী তার আধ্যাত্মিক শক্তিবলে আপনার সকল অশান্তি দূর হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ্। দরবারে প্রবেশের সাথেসাথেই আপনি এক প্রশান্তি অনুভব করবেন। এটি পরীক্ষিত। আপনি আসুন এবং পরীক্ষা করুন।
জীবনিয়া দরবার শরীফ,
জীবন মহল পার্ক এন্ড রিসোর্ট,
কাঞ্চনঘাট বাজার,
বিরল, দিনাজপুর
ই-মেইল: contact@jiboniyadarbarsharif.com
01712006319,
01784040916,
01741038399,
01781448080
(২৪ ঘন্টা খোলা)